দেখুন এব্রোশন এর মাধ্যমে কিভাবে পেটের বাচ্চাকে হত্যা করা হয়। চোখের পানি ধরে রাখা কষ্টকর (ভিডিও) |
মঙ্গলবার , ২০ নভেম্বর ২০১৮
  • প্রচ্ছদ » সাবলিড » দেখুন এব্রোশন এর মাধ্যমে কিভাবে পেটের বাচ্চাকে হত্যা করা হয়। চোখের পানি ধরে রাখা কষ্টকর (ভিডিও)




দেখুন এব্রোশন এর মাধ্যমে কিভাবে পেটের বাচ্চাকে হত্যা করা হয়। চোখের পানি ধরে রাখা কষ্টকর (ভিডিও)



নিউজ সময় : 22/03/2017


ঢাকা: পৌষের হাড় কাঁপানো এক সকাল। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্ত্রী ও ধাত্রীবিদ্যা বিভাগের সামনে হাতে ক্লিনিকের রিপোর্ট নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন এক তরুণী। চোখে মুখে রাজ্যের ক্লান্তি! মাঝে মাঝে ক্লিনিকের রিপোর্ট খুলে দেখছেন । একসময় ডাক্তারের রুম খুললেন হাসপাতালের এক নারীকর্মী। রুম খোলার সঙ্গে সঙ্গে তরুণী ভিতরে প্রবেশ করতে চাইলে হাসপাতালের ওই কর্মী বলেন-‘আরে আরে… কই ঢুকছেন আপনি….ডাক্তার আপা না আসা পর্যন্ত ভেতরে যাওয়া নিষেধ।’ তরুণী বলেন-‘দেখুন আমি দাঁড়াতে পারছি না, বিপদে পড়ে অনেক দূর থেকে এসেছি। আমি ভেতরে এসে আপনাকে বুঝিয়ে বলছি।’ হাসপাতালের স্টাফ বাঁধা দেন। মৃদু কথা কাটাকাটি হয়। এসময় রুমে প্রবেশ করেন স্ত্রী রোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিশেষজ্ঞ। রুমে প্রবেশ করতেই ডাক্তার জানতে চান-‘কী হয়েছে?’ তরুণী বলেন-‘আপা আমি বিপদে পড়েছি… আপনাকে বুঝিয়ে বলছি….।’



মিনিট কয়েক পর মেয়েটি চোখ মুছতে মুছতে ডাক্তারের কক্ষ থেকে বের হন। পেশাগত পরিচয় দিয়ে তরুণীর কাছে বিষয় জানতে চাইলে কিছুই বলে না। মুখ মুছতে মুছতে তরুণী হেঁটে চলে যায়। কৌতূহলী হয়ে ডাক্তারের রুমে প্রবেশ করে বিষয়টি জানতে চাই। ডাক্তার এসব বিষয়ে কথা বলতে চান না। একপর্যায়ে নাম না বলার শর্তে ঘটনাটি বলতে রাজী হন।

হাসপাতালের স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জানান, মেয়েটি এসেছে নারায়ণগঞ্জ থেকে। সাড়ে পাঁচ মাসের অন্তঃস্বত্বা। পাঁচ মাস অবস্থায় গর্ভপাত নিরাপদ নয়। তাছাড়া তরুণী অবিবাহিত।


ডাক্তার বললেন, ‘‌প্রতিদিন এমন অনেকেই আসেন। নতুন কিছু নয়।



একটুখানি অসতর্কতায় অনাকাঙ্ক্ষিভাবে নারীর গর্ভে মানবভ্রুণের সৃষ্টি হয়। অপরিকল্পিত গর্ভধারণের কারণে অনেক নারীই গর্ভপাতের পথ বেঁচে নেন। ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভপাত করতে গিয়ে অনেকেই মৃত্যবরণ করেন। সারা বিশ্বেই বাড়ছে অপরিকল্পিত গর্ভধারণ। সেই সঙ্গে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে গর্ভপাতও। এই অস্বস্তিকর-অমানবিক নির্মমমতার যজ্ঞে বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই। কখনো সমাজ ও পরিবারে দুর্নাম থেকে বাঁচতে, কখনো পরিবারকে ছোট রাখতে নারীরা গর্ভপাতের পথ বেঁছে নেন।



রাজধানীর একটি মেরিস্টোপস ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায় এক কোণে দাঁড়িয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছেন সামিনা (প্রকৃত নাম নয়)। তার স্বামী কাগজপত্র নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছেন। কিছুক্ষণ পর পর সামিনার কাছে এসে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করছেন। সামিনা দুই কন্যা সন্তানের জননী। বর্তমানে অন্তঃস্বত্বা। আল্ট্রাসনোগ্রামের রিপোর্টে ওঠে আসে গর্ভের ভ্রণটি কন্যা সন্তানের। সে কারণে এই সন্তানটি ভূমিষ্ঠ করাতে রাজি নন তার স্বামী। কিন্তু সামিনার মন কিছুতেই সায় দিচ্ছে না। অনেক অনুরোধ করা সত্ত্বেও তার স্বামীর মন গলাতে পারেনি। তার সাফ কথা, ছেলে না হলে আর কোনো সন্তানের প্রয়োজন নেই। বাধ্য হয়ে সামিনাকে ঝুঁকি নিয়েই গর্ভপাত করানো হলো।



ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (অবস্) গাইনি বিভাগের প্রধান এবং অধ্যাপক ফেরদৌসি ইসলাম বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ এমন গর্ভপাতের কারণে নারীদের প্রাণহানি ঘটছে।’

তিনি জানান, একান্ত যদি গর্ভপাত বা এম আর করানো হয় তাহলে যেন সঠিক সময়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারাই করানো হয়।



গর্ভপাত নিয়ে রয়েছে পক্ষ-বিপক্ষের যুক্তি
উইকিপিডিয়ায় গর্ভপাতের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ‘গর্ভপাত বলতে সন্তান প্রসবের আগে, সাধারণত গর্ভধারণের প্রথম ২৮ সপ্তাহের মধ্যে, জরায়ু থেকে ভ্রণের অপসারণ ও বিনষ্টকরণকে বোঝায়।’



বিশ্বজুড়েই গর্ভপাতের পক্ষ-বিপক্ষের যুক্তিবাদীরা নিজ নিজ দৃষ্টিকোণ থেকে যুক্তি উপস্থাপন করছেন। বিশ্বের খ্যাতনামা চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের কেউ কেউ ও বিভিন্ন ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ এবং মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, এটি সরাসরি শিশুহত্যা। কেননা ভ্রণ মানেই হচ্ছে শিশুর আকার।



অন্যদিকে গর্ভপাতের পক্ষে যারা তারা বলছেন ভ্রুণহত্যা মানেই শিশুহত্যা নয়। তাদের যুক্তি হচ্ছে ভ্রণ যদি মানবের পুরোপুরি আকারে রূপান্তর না হয় তাহলে তা শিশুহত্যা হতে পারে না। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে গর্ভপাত নিয়ে চলছে নানা বিতর্ক। ধর্মীয়ভাবে গর্ভপাত নিষেধ থাকা সত্ত্বেও আমাদের সমাজে অনেক ক্ষেত্রে অনাকাঙ্খিত ঘটনার শিকার নারীর সম্মানের কথা ভেবে গর্ভপাত করানো হয়। এর সঙ্গে সাম্প্রতিক যোগ হয়েছে পুত্র সন্তানকাংখীদের মনোভাব- যার অবশ্যম্ভাবী পরিণতিতে গর্ভস্থ মেয়ে ভ্রূণকে হত্যা করা হয় গর্ভপাতের ‍মাধ্যমে।



বাংলাদেশের গর্ভপাত আইন
বিশ্বের অন্যান্য ‍অনেক দেশের মত বাংলাদেশের গর্ভপাত আইন (১৮৬০-এর ব্রিটিশ পেনাল কোড) অনুযায়ী- অন্তঃসত্ত্বার জীবন বাঁচানো ছাড়া অন্য কোনো কারণে গর্ভপাত নিষিদ্ধ। এমনকি ধর্ষণ, শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক বা সামাজিক কারণ, ভ্রণের বিকলাঙ্গতা এসব কারণেও গর্ভপাত আইনসিদ্ধ নয়। অবশ্য গর্ভপাতের আইনের উইকি তথ্য অনুযায়ী ১২ সপ্তাহের মধ্যে করলে এ সমস্ত ক্ষেত্রে গর্ভপাত গ্রহণযোগ্য।



কারা করচ্ছেন
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার প্রজনন স্বাস্থ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, পরিবার পরিকল্পনা প্রতিষ্ঠান, কয়েকটি ক্লিনিক ঘুরে দেখা যায় গর্ভপাত করতে যারা আসছেন তাদের মধ্যে ১৬ বছরের কিশোরী থেকে মধ্য বয়স্ক নারীও রয়েছেন। বিয়ের আগে অনেকেই অনিরাপদ যৌন সম্পর্কের কারণে গর্ভবতী হওয়ায় বাধ্য হয়ে গর্ভপাত করেছেন।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি বেসরকারি ক্লিনিকের স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘বর্তমানে গর্ভপাত করাতে যারা আসছেন তাদের মধ্যে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণীর সংখ্যা বেশি। লোকলজ্জার ভয়ে তারা গোপনে বিভিন্ন ক্লিনিকে গিয়ে গর্ভের ভ্রণ নষ্ট করে আসেন।’



কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার জানান, বিবাহিতদের মধ্যে যারা আসছেন তাদের মধ্যে নতুন দম্পত্তির সংখ্যা বেশি। বিয়ের প্রথম বছরের মধ্যে অসতর্কতার কারণে গর্ভবতী হওয়ায় অনেকেই গর্ভপাতের পথ বেছে নিচ্ছেন। অন্যদিকে একাধিক সন্তান থাকার পর অসতর্কতার কারণে যেসব নারী গর্ভবতী হয়ে পড়ছেন তারাও গর্ভপাত কছেন। এছাড়া সন্তাব প্রসবের জন্য মায়ের জীবন হুমকির মুখে থাকবে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শে গর্ভপাত করানো হচ্ছে।



তবে গর্ভপাতের ওপর সরেজমিন রিপোর্ট করতে গিয়ে যে বিষয়টি অনেক শিক্ষিত পুরুষের মধ্যেও দেখা গেছে তা হলো, আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে মেয়েশিশু জানতে পেরেই স্বামীর নির্দেশে গর্ভপাত করতে বাধ্য হচ্ছেন অনেক নারীই। বর্তমানে আলট্রাসনোগ্রামে সাধারণত ভ্রুণের পাঁচ মাস বয়সে লিঙ্গ নির্ধারণ সম্ভব হয়।



বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা জানিয়েছেন, এ সময় গর্ভপাত ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভপাতের ফলে নারীর বন্ধ্যাত্ব, শারীরিক, মানসিক সমস্যাসহ মৃত্যুর ঝুঁকিও অনেক।



চলছে গলাকাটা ব্যবসা!
বিভিন্ন ক্লিনিক ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে গর্ভপাতের নামে চলছে গলাকাটা ব্যবসা। রাজধানীর আনাচে-কানাচে গজিয়ে ওঠা বিভিন্ন ক্লিনিক মালিকরা নারীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে মোটা অংকের টাকা নিচ্ছেন।



রাজধানীর বিভিন্ন ক্লিনিক ঘুরে দেখা যায় অবৈধভাবে গর্ভপাতই বেশি করানো হচ্ছে। বিশেষ করে গর্ভপাত করতে গিয়ে যেসব নারী স্বামীকে উপস্থিত করতে পারছেন না বা যাদের স্বামী নেই তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চুক্তিতে গর্ভপাত করানো হচ্ছে। গর্ভপাত ঘটানোর সময় মাতৃমৃত্যুর ঘটনা ঘটলেই তা নজরে আসে। তাছাড়া শত শত ঘটনা থেকে যাচ্ছে অন্তরালে।



ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেখানে মাত্র পাঁচ শ’ টাকায় এমআর করার সুযোগ রয়েছে সেখানে রাজধানীর বিভিন্ন ক্লিনিক ৫ থেকে ২০ হাজার টাকা নিচ্ছে। একশ্রেণীর দালাল অবৈধভাবে এ কাজে জড়িত রয়েছেন।



সরেজমিনে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, সরকারি হাসপাতাল, প্রজনন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কিছু দালাল রয়েছে। এসব দালালরা নারীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পাঠাচ্ছেন। প্রাইভেট ক্লিনিকের সঙ্গে এসব দালালচক্র কমিশন ভিত্তিতে কাজ করছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে গর্ভপাত করাতে আসা এক নারী জানালেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে নানা কৈফিয়ত দিতে হয় তাই বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে দালালের মাধ্যমে করতে বাধ্য।

রাজধানীর একটি ক্লিনিকের কর্ণধার নাম না বলার স্বর্তে স্বীকার করলেন, মোটা অংকের টাকা নিলেও এতে তারা নারীর উপকারই করছেন।



অনুসন্ধানে দেখা যায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ি, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, বাড্ডা এলাকার বেশকিছু অখ্যাত ক্লিনিকে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে গর্ভপাত করছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলাশহরগুলোর ক্লিনিকে নার্সদের মাধ্যমেও অনেকেই গর্ভপাত করছেন।



বাড়ছে অপরিকল্পিত গর্ভধারণ
দেশে বাড়ছে অপরিকল্পিত গর্ভধারণ। বাংলাদেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর স্বল্পতা বা মজুদ শূন্যতার কারণে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে মানব ও অর্থনীতির ওপর।



বড়ি, ইনজেকশন ও কনডমের স্বল্পতা বা মজুদহীনতা বা অনিয়মিত সরবরাহ বর্তমানে প্রকট আকার ধারণ করছে। প্রতিবছর অপ্রত্যাশিত গর্ভধারণের শিকার হয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮শ’ জন নারী। যাদের ৯০ হাজার ২শ’ ৪০ জন এ সমস্যা থেকে মুক্ত হতে ‘এমআর’ ও ২২ হাজার ৫শ’ ৬০ জন ‘অ্যাবরশন’ করছেন।



বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি (এফপিএবি) এবং হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টারের (এইচডিআরসি) ২০১০ সালের গবেষণায় এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, সারাদেশে ৩০৬ জন গর্ভপাত করছেন।



তবে অনুসন্ধানে যে চিত্র পাওয়া গেছে তাতে প্রকৃত এর প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। রাজধানীর উল্লেখযোগ্য ২৫টি প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও ক্লিনিকে ঘুরে জানা যায়, এসব হাসপাতালে দৈনিক শতাধিকের বেশি গর্ভপাত হচ্ছে। ধারণা করা যায়, শুধু রাজধানীতেই দৈনিক গর্ভপাত হচ্ছে ২শ’র বেশি। সে হিসেবে ধারণা করা যায় সারা দেশে দৈনিক দেড় হাজারের বেশি গর্ভপাত হচ্ছে।



বিভিন্ন প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররাও জানিয়েছেন, সারাদেশে দৈনিক গর্ভপাত দেড় হাজারের কম হবে না। কেননা গ্রামের অনেকেই এখনও হোমিও ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা দ্বারা গর্ভপাত করছেন; যাদের তালিকা সরকারি বা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে উঠে আসছে না।



এফপিএবি ও এইচডিআরসি’র ২০১০ সালের প্রতিবেদনে ওঠে আসে, জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহার করছেন মোট জনসংখ্যার শতকরা ৫৫ দশমিক ৮ ভাগ নারী-পুরুষ। প্রতিবছর ১ লাখ ৬০ হাজার ৫শ’ ৮৫ জন নানা জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বিশেষ করে খাবার বড়ি, ইনজেকশন ও কনডমের স্বল্পতা বা পর্যাপ্ত মজুদ না থাকায় নানা ধরনের সমস্যায় পড়ছেন।



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সাইন্স বিভাগের শিক্ষক ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক এ কে এম নূর-উন-নবী জানান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি শুরু হওয়ার প্রায় চার দশক পরও মাত্র অর্ধেক দম্পতিকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। চাহিদা থাকা সত্ত্বেও শতকরা ১৭ দশমিক ৬ ভাগ আগ্রহী দম্পতিকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রী দিতে পারছে না পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর। আর গ্রহণকারীদের অনেকেই নিয়মিত সামগ্রী না পাওয়ার কারণে নানাভাবে স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন।

উৎস…বাংলানিউজ

Loading...
loading...



Editor : Zakir Hossain,
Office : Jeddah,Kilo3,Old Makkah Road Behind Al Rajhi Bank
Email : [email protected]